স্পোর্টস ডেস্ক
ফ্রান্সকে আটকাবে কে? প্রশ্নটা উড়ছিল বিশ্বকাপের শুরু থেকেই। প্রতিপক্ষরা যেন তাদের সামনে দুমড়েমুচড়ে যায়। এমবাপ্পে-দেম্বেলেরা নাস্তানাবুদ করে ফেবারিট থেকে হয়ে উঠেন ফেবারিটতম। বিশ্বকাপটা যেন তাদেরই!
কিন্তু তাদেরকে ভয় পায় না স্পেন। চোখে চোখ রেখে লড়াই করে। কোনো সুযোগ দেয়না ফরাসিদের। আক্রমণ, মধ্যভাগ কিংবা রক্ষণ স্পেনের একক আধিপত্যে ফ্রান্স দিশেহারা। ফ্রান্সকে আটকানোর সমাধান স্পেন দিয়ে দিল সেমিফাইনালে।
ডালাসে একচেটিয়ে ফুটবলে স্পেন ২-০ গোলে ফ্রান্সকে হারিয়ে ২০১০ সালের পর পৌঁছে গেল বিশ্বকাপের ফাইনালে। সেবার স্পেন প্রথমবার বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছিল। এবার আরেকবার হবে কি? ম্যাচের ২২ মিনিটে স্পেনের ভাগ্য খুলে যায়। বক্সের ভেতরে ফাউলের শিকার হন লামিন ইয়ামাল। বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে ইয়ামালের পায়ে জোরে আঘাত করেন লুকাস দিনিয়ে। রেফারির চোখ তা এড়ায়নি। স্পেনকে সফল পেনাল্টি থেকে গোল করে এগিয়ে নেন ওইয়ারসাবাল।ফ্রান্সের গোলরক্ষক মাইক মাইনিয়ঁ বামদিকে ঝাঁপিয়েছিলেন। কিন্তু জোরালো শট নাগালে পাননি তিনি।
ম্যাচে ফিরতে মরিয়া ফ্রান্স প্রথমার্ধে সমতা ফেরাতে পারেনি। উল্টো দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে আরেকটি গোল হজম করে। ৫৮ মিনিটে দ্বিতীয় গোলটি করেন পেদ্রো পোরো। দানি ওলমোর সঙ্গে ওয়ান-টু পাস খেলে দ্রুত বল নিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন পোরো। এরপর দারুণ শটে ফরাসি গোলরক্ষকে পরাস্ত করেন তিনি।ৎ
৬৪ মিনিটে লামিন ইয়ামাল আরেকটি গোল করেছিলেন। কিন্তু অফসাইডে তা বাতিল হয়ে যায়।
ফ্রান্স এরপর শুধুই দর্শক। গোলমুখে একাধিক সুযোগ সৃষ্টি করে তারা। কিন্তু লক্ষ্য ভেদ করতে পারে না। মেজাজ হারিয়ে এলোমেলো ফুটবল খেলে অচেনা রূপে দেখা যায় দিদিয়ের দেশমের শিষ্যরা। তাতে গোল শোধ তো হয়নি উল্টো তাদের শেষটা হয়েছে অসহনীয় যন্ত্রণায় পুড়ে। শেষে ২-০ গোলে হেরে ফ্রান্সকে মাঠ ছাড়তে হয়।