
নিজস্ব প্রতিবেদক
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান; যশোর-নড়াইল মহাসড়কে তল্লাশি চৌকি, মাদক পরিবহনের অভিনব কৌশল উদঘাটন। যশোরে অভিযান চালিয়ে ৩০ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেট কারও জব্দ করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য বিপুল বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
শনিবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) রাত প্রায় ১০টার দিকে যশোর সদর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের হামিদপুর এলাকায় যশোর-নড়াইল মহাসড়কে তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—বেনাপোল পোর্ট থানার দৌলতপুর মধ্যপাড়া এলাকার মৃত নওশের আলী মোড়লের ছেলে বাবলুর রহমান (৫৫) এবং বড় আঁচড়া মাঠপাড়া এলাকার আজগার আলীর ছেলে নুরুজ্জামান (৩৪)।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাত সাড়ে ৯টার পর হামিদপুর এলাকায় যশোর পৌরসভার ওয়েস্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (জেপিডব্লিউটিপি) গেটসংলগ্ন যশোর-নড়াইল মহাসড়কে একটি তল্লাশি চৌকি স্থাপন করা হয়। কিছুক্ষণ পর একটি টয়োটা এক্স করোলা মডেলের প্রাইভেট কার সেখানে পৌঁছালে সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশির একপর্যায়ে গাড়ির ড্যাশবোর্ড ও দুই পাশের রানিং বোর্ডে বিশেষভাবে তৈরি গোপন কুঠুরি থেকে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। মাদক পরিবহনের জন্য এ ধরনের কৌশল ব্যবহার করায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং যশোরসহ সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদকের বিস্তার রোধে নিয়মিত নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।