
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ভারতের কর্নাটক রাজ্যের মাইসুরু জেলায় ঘটে গেছে এক মর্মান্তিক পারিবারিক ট্র্যাজেডি। স্ত্রী ও দুই কন্যাকে হত্যার পর নিজেও আত্মহত্যা করেছেন হরিশ (৪৯) নামের এক ব্যক্তি। ঘটনাটি ঘটেছে জেলার হুনসুর এলাকার নিউ মারুতি লেআউটে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দেশটির সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়, নিহতরা হলেন, হরিশ, তার স্ত্রী নিশ্চিতা (৩৬) এবং তাদের দুই মেয়ে নেক্সা (১৩) ও রক্ষা (৬)। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হরিশ প্রথমে আঠালো টেপ দিয়ে স্ত্রী ও দুই মেয়ের মুখ বন্ধ করে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। এরপর তিনি বাড়ির প্রথম তলার একটি কক্ষে গিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘আমি ওপরতলার কক্ষে ফাঁস নিচ্ছি। একই নোটে ‘আমার শেষ ইচ্ছা’ শিরোনামে কয়েকটি অনুরোধও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে কী কারণে এমন ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। হুনসুর টাউন পুলিশ ইতোমধ্যে একটি মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে। তদন্ত শেষে এই হৃদয়বিদারক ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে এবং পারিবারিক সহিংসতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।