
নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোর-চুকনগর সড়কের কেশবপুরের মধ্যকুল জেলেপাড়া মোড় এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণে জুয়েল সরদার (২৬) নামে এক যুবক আহত হয়েছেন। শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে ঘটনাস্থলে আরও দুটি ককটেল সদৃশ বস্তু দেখতে পেয়ে সেগুলো ঘিরে রাখে পুলিশ। আহত জুয়েল সরদার কেশবপুর পৌরসভার মধ্যকুল এলাকার খানজাহান আলী সরদারের ছেলে। বিস্ফোরণে তাঁর ডান পায়ের বিভিন্ন স্থানে ক্ষত হয়েছে। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি পুলিশি নজরদারিতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
কেশবপুর থানা সূত্রে জানা গেছে, বিস্ফোরণের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিস্ফোরিত ককটেলের আলামত উদ্ধার করে। একই স্থানে আরও দুটি ককটেল সদৃশ বস্তু পড়ে থাকতে দেখা যায়। ঝুঁকি এড়াতে পুলিশ দড়ি দিয়ে এলাকাটি ঘিরে রেখেছে। বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর বস্তু দুটি নিষ্ক্রিয় করার কথা রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে যান। সেখানে জুয়েলকে আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। কয়েকজন পথচারী তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। ঘটনার পর থেকে ওই এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে কেশবপুর থানা-পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। পুলিশ ঘটনাস্থলের পাশাপাশি হাসপাতাল ও মধ্যকুল জেলেপাড়া এলাকাতেও খোঁজখবর নিয়েছে।
কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার তুষার কান্তি মন্ডল বলেন, আহত জুয়েল সরদার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকসানা খাতুন বিকেল ৪টার দিকে বলেন, ‘ঘটনাস্থলে একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়েছে। আরও দুটি ককটেল সদৃশ বস্তু ঘিরে রাখা হয়েছে। বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয় টিম আসার পর সেগুলো নিষ্ক্রিয় করা হবে। আহত জুয়েল সরদারকে পুলিশি নজরদারিতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে, আহত যুবক সেখানে কী করছিলেন এবং ককটেল সদৃশ বস্তু দুটি সেখানে কীভাবে এলো, এসব বিষয় খতিয়ে দেখছে পুলিশ।