1. live@dailyjagrotobd.com : dailyjagrotobd.com dailyjagrotobd.com : dailyjagrotobd.com dailyjagrotobd.com
  2. info@www.dailyjagrotobd.com : - :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ৭০০ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে  শিক্ষাখাতে ইতিহাসের সর্বোচ্চ বাজেট এবার: প্রধানমন্ত্রী অভয়নগরে সরকারি ইউরিয়া সার উধাও, ঠিকাদারি কর্মকর্তাকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা ইনুর ১০ বছরের সাজা বাড়িয়ে মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল চলিশিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মশিউর রহমান আটক চৌগাছা থানার ওসি মামুনকে ফাঁসাতে মিথ্যা অভিযোগ আওয়ামী লীগ নেতাকে ‘বিএনপি কর্মী’ সাজিয়ে পুলিশকে চাপে ফেলার চেষ্টা: চৌগাছায় বিতর্কের ঝড় খুলনায় সাত সকালে বিএনপি নেতাকে গুলি, সাবেক জামাইকে খুঁজছে পুলিশ ঘুষের টাকা না পেয়ে বিএনপি কর্মীকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ ওসি মামুনের বিরুদ্ধে  অভয়নগরের বিন হাসানের বিরুদ্ধে বনানী থানায় আরও এক প্রতারণা মামলা

শিশুদের খাবারে কারচুপি’র অভিযোগ, অভয়নগরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তদন্তের দাবি

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬
  • ৭৮ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারি বরাদ্দ অনুযায়ী পাঁচ দিন নাশতা দেওয়ার কথা; ডিম-রুটি দেওয়ার দিনে শুধু রুটি দেওয়ার অভিযোগ অভিভাবকের, প্রধান শিক্ষক বললেন, আমি কিছু জানি না, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস শিক্ষা কর্মকর্তার

যশোরের অভয়নগর উপজেলার বারান্দী ফকিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশু শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারি বরাদ্দ করা নাশতা বিতরণে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ উঠেছে। নির্ধারিত খাবার শিশুদের না দিয়ে কম পরিমাণে দেওয়াসহ বরাদ্দের খাবার যথাযথভাবে বিতরণ করা হচ্ছে না, এমন অভিযোগ করেছেন কয়েকজন অভিভাবক। অভিভাবকদের অভিযোগ, বিদ্যালয়টিতে প্রায় ১৫০ জন শিশু শিক্ষার্থী রয়েছে। সরকারি কর্মসূচির আওতায় রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের নাশতা দেওয়ার কথা রয়েছে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী রবিবার ডিম ও রুটি, সোমবার রুটি ও দুধ, মঙ্গলবার কলা ও বিস্কুট এবং বুধবার ও বৃহস্পতিবার রুটি ও ডিম দেওয়ার কথা। তবে অভিযোগ রয়েছে, নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ী প্রতিদিন সব খাবার শিশুদের দেওয়া হচ্ছে না। বিশেষ করে ডিম ও রুটি দেওয়ার কথা থাকলেও কোনো কোনো দিন শুধু রুটি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন অভিভাবকেরা।

একজন শিক্ষার্থীর অভিভাবক অভিযোগ করে বলেন, গত বৃহস্পতিবার বিদ্যালয়ে শিশুদের রুটি ও ডিম দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শিক্ষার্থীদের শুধু রুটি দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, এমন ঘটনা মাঝে-মধ্যে ঘটছে এবং কোনো কোনো দিন শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত পরিমাণের তুলনায় কম খাবার দেওয়া হয়।

অভিভাবকদের অভিযোগ, শিশুদের জন্য বরাদ্দ করা খাবার যথাযথভাবে বিতরণ করা হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত তদারকি না থাকায় অনিয়মের সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিষয়টি সঠিকভাবে তদন্ত করা হলে প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসবে বলে মনে করছেন তাঁরা।

সরকারি অর্থায়নে শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে বিদ্যালয় পর্যায়ে নাশতা কর্মসূচি পরিচালিত হলে সেখানে নির্ধারিত খাদ্যতালিকা, শিক্ষার্থীর সংখ্যা, সরবরাহকৃত খাদ্যের পরিমাণ এবং বাস্তবে বিতরণের হিসাবের মধ্যে সামঞ্জস্য থাকা গুরুত্বপূর্ণ। তাই অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে বিদ্যালয়ের উপস্থিতি খাতা, খাদ্য সরবরাহের হিসাব, বিল-ভাউচার, সরবরাহকারীর তথ্য এবং বিতরণসংক্রান্ত রেকর্ড পরীক্ষা করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে নির্ধারিত দিনে কতজন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিল, তাদের প্রত্যেককে কী পরিমাণ খাবার দেওয়া হয়েছে এবং সরবরাহকৃত খাবারের মোট পরিমাণ কত, এসব তথ্য যাচাই করলেই অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া সম্ভব। অভিভাবকদের কেউ কেউ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিরুদ্ধে যোগসাজশের মাধ্যমে শিশুদের খাবার কম দেওয়ার অভিযোগ করেছেন। অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিক ও অভিভাবকেরা। তাঁদের বক্তব্য, শিশুদের খাবারের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম হয়ে থাকলে তা শুধু সরকারি অর্থের অপব্যবহার নয়, শিশুদের পুষ্টি ও অধিকারও ক্ষতিগ্রস্ত করার শামিল। তাই বিষয়টি দ্রুত তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন।

অভিযোগের বিষয়ে বারান্দী ফকিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আফজাল হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি কিছু জানি না। এ ব্যাপারে আমি পরে কথা বলব। এরপর তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। অভিযোগের বিষয়ে অভয়নগর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ সাহা বলেন, আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না। খোঁজখবর নিয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিশুদের জন্য বরাদ্দ খাবার নিয়ে ওঠা অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে দ্রুত তদন্ত করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন অভিভাবকেরা। তাঁদের দাবি, বিদ্যালয়ে সরেজমিন পরিদর্শনের পাশাপাশি খাদ্য সরবরাহ ও বিতরণের হিসাব, উপস্থিত শিক্ষার্থীর সংখ্যা এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করা হোক। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যাতে কোনো শিশু শিক্ষার্থীর বরাদ্দকৃত খাবার নিয়ে অনিয়মের সুযোগ না থাকে, সে জন্য নিয়মিত তদারকি জোরদারেরও দাবি উঠেছে।

 

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট